স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে ৬ দফা দিলেন পাকমন ইউনিয়ন – UPSR রাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রপ্রতি জাহিদুল হক

নুরুউল্লাহ হাওলাদার সবুজ, ঢাকা:  আজ, পাকমন ইউনিয়ন - UPSR রাষ্ট্রের অধীনে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা এবং মন্ত্রী পরিষদ গঠন করিলেন পাকমন পিপলস্ পার্টির সভাপতি, দার্শনিক মোঃ জাহিদুল হক (জাহেদ)। পাকমন পিপলস্ পার্টি (পিপিপি) মূলস্রোতধারা তথা: পদ্মা, কর্নফুলী, মেঘনা, যমুনা-পাকমন পিপিলস্ পার্টি জাতীয় রাজনীতিতে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের এক অমোঘ শক্তি) যার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি- দার্শনিক মোঃ জাহিদুল হক (জাহেদ)।

অনুষ্ঠানে UPSR রাষ্ট্রের মন্ত্রী সভার সংক্ষীপ্ত তালিকা এবং পরিচিতি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। মন্ত্রী সভার তালিকাতে রয়েছেন -

১। পাকমন ইউনিয়ন - UPSR রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রতি: দার্শনিক মোঃ জাহিদুল হক (জাহেদ) এবং দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়, প্রচার ও প্রকাশনা মন্ত্রনালয়, শিক্ষা মন্ত্রনালয় তার হাতে ন্যাস্ত থাকবে।

২। উপ-রাষ্ট্রপ্রতি ও অর্থ মন্ত্রী: জনাব আব্দুর রহমান

৩ । প্ৰধান মন্ত্রী : খন্দকার আশরাফ ছিদ্দিকী

৪। উপ-প্রধান মন্ত্রীঃ ডা. সাইফুল ইসলাম

৫। স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রী এবং জাপানের রাষ্ট্র দূত: ডা. রেজাউল করিম (রেজা)

৬। জনপ্রশাসন মন্ত্রী এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মন্ত্রী : বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব আহম্মেদ

৭। স্বাস্থ্য মন্ত্রী : বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. গোলাম কবির

৮ । সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী: জান্নাতুল ফেরদৌসী রানী

৯ । সমাজ কল্যাণ উপ-মন্ত্রী: শারমিন সুলতানা

১০ । মা ও শিশু মন্ত্রনায়ল: ড. ফাহিমা সুলতানা

১১ । কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রনালয়: মোঃ আলমগীর হোসেন (মোহন বাবু)

১২। প্রভাসী কল্যাণ মন্ত্রী এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত: মোঃ উজ্জল হোসেন।

তাছাড়া বাকি ৫২টি মন্ত্রনালয় আগামী ৪ঠা নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্ত্বওে অনুষ্ঠিতব্য এক মহাসমাবেশের মাধ্যমে ঘোষনা করা হবে। উল্লেখ থাকে যে, এই মন্ত্রী পরিষদ এবং সরকারের কার্যক্রম এবং বাস্তবায়ন ৪ঠা নভেম্বর ২০২৫ইং তারিখে নির্ধারন করা হবে।

আজ রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের দ্বিতীয় তলায় মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত এই সভায় আরোও বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব খন্দকার আশরাফ ছিদ্দিকী, দলের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল রহমান, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ডা. সাইফুল ইসলাম, দলের সিনিয়র সহ সভাপতি ডা. ফাহিমা সুলতানা, দলের সহ সভাপতি মোঃ শাহ্ আলম রাসেল, পাকমন মুক্তিযোদ্ধা দলের চেয়ারম্যান মাহবুব আহমেদ, পাকমন পিপলস্ পার্টির বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রেজাউল করিম রেজা, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মোঃ উমর ফারুক রবিন, পাকমন পিপলস্ পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পদক (অবঃ) সেনা কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম রেজা, পাকযন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ ফেরদৌস খান, পাকমন শ্রমিক দলের সহ সভাপতি মোঃ সাকিব খান, পাকমন পিপলস্ পার্টির মনোনিত সংসদ সদস্য বৃন্দ, প্রমুখ ।

বিজ্ঞান- ভিত্তিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গী অনুযায়ী' পাকমন' নামটি ‘পাকমন' জাতির জন্য অত্যন্ত প্রাণপ্রিয় । পদ্মা নদীর প্রথম অক্ষর ‘প’ কর্ণফুলি নদীর ‘ক’মেঘনা নদীর ‘ম’ এবং যমুনা নদীর শেষের অক্ষর ‘ন’ নিয়ে ‘পাকমন' গঠিত হয়েছে। পাকমন অর্থ পবিত্র মন অর্থাৎ ‘পাকমন’ অববাহিকার নদ-নদী বিধৌত অঞ্চলের লোকদের নিয়ে যে দল তাহাই পাকমন পিপলস পার্টি। নদ-নদী পদ্মা, কর্ণফুলি, মেঘনা, যমুনা : পাকমন অববাহিকার গণ- মানুষের জীবন মরণের গুরুত্ব বহন করে। বিগত ১৯৮৭/৮৮/৯৮ সালের বন্যায়, জাতি হাড়ে হাড়ে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করেছে। তাই ‘পাকমন’ নামটি জাতির কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাণপ্রিয়

পাকমন জাতি সত্ত্বা :

পদ্মা, কর্ণ, মেঘনা, যমুনা : পাকমন অববাহিকার প্রতিটি বর্ণ ও গোত্র-বাঙালী, বিহারী, চাকমা, মগ, মুরং, গুর্ঘা, নেপালী, ভূটানী মনিপুরী, ত্রিপুরা, টেপরা, হাজং, সাঁওতালসহ আমরা সবাই পাকমন ।

পাকমন পিপলস্ পার্টির লক্ষ্য ( মেনুফেস্টো) হচ্ছে সমাজনীতি:

দার্শনিক জাহেদ সমাজনীতির সংজ্ঞা দিয়েছেন: “যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ, প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ এবং অর্জিত সম্পদের পূর্ণ ভোগদক্ষলই হচ্ছে সমাজনীতি” (Work with comptence, wealth with need and fullright with the earning wealth to, is known as social-law)

অথাৎ যার যেই ধরণের যোগ্যতা থাকে, সে সেই ধরণের কাজ, প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ, সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে সমাজ ব্যবস্থায় পূর্ণ ভোগদক্ষলের নিশ্চয়তা। মানুষ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পেলে, প্রয়োজনীয় অর্থ পেলে সেই অর্থ ভোগদক্ষলের সুষ্ঠ আইন- শৃঙ্খলা থাকলে জাতীয় রাজনীতিতে কোন দফার রাজনীতির প্রয়োজন হয় না।

পাকমন পিপলস পার্টির রাজনৈতিক রণকৌশল:

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনে ৬ দফার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ুন-

১. ফাঁরাক্কাসহ ৫৪টি নদীর উজানের বাঁধ ভারত সরকারকে ভেঙ্গে ফেলতে হবে। (উল্লেখ্য, ২৪মে ৯৬ থেকে পরবর্তীতে ভারত কর্তৃক আরো বাঁধ নির্মাণ হলে তা ভেঙ্গে ফেলতে হবে।)

২. গত ২১ বৎসরে উক্ত বাঁধ সমূহের কারণে ক্ষতিপূরণ স্বরূপ ৭৪ হাজার কোটি টাকা ভারত সরকারকে প্রদান করতে হবে। (উল্লেখ্য, ২৪শে মে ৯৬ থেকে পরবর্তী প্রতি বৎসরের জন্য দশ হাজার কোটি টাকা অংক যোগ হতে থাকবে)

৩. ঢাকাস্থঃ ভারতীয় দূতাবাস বন্ধ করে দিতে হবে এবং সকল প্রকার কূটনৈতিক তৎপরতা ছিন্ন করতে হবে।

৪. পদ্মা, কর্ণ, মেঘনা ও যমুনা : ‘পাকমন’ ইউনিয়ন (UPSR) অঞ্চল সমূহ : বাংলা বিহার, উড়িষ্যা, মেঘালয়, ত্রিপুরা, আসাম, নেপাল, ভূটান, সিকিম, অরুনাঞ্চল, ন্যাগাল্যান্ড, মেজোরাম প্রভৃতি অঞ্চল থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনী অপসারণ করে UPSR কে পূর্ণ স্বীকৃতি দিতে হবে।

৫. বঙ্গভূমি আন্দোলন অপকর্ম তাৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

৬. শান্তি বাহিনীর অপকর্ম তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। সকল প্রকার ট্রানজিট চুক্তি বাতিল করতে হবে।

সমাজনীতিতে গণতন্ত্র:

গণতন্ত্রের মাধ্যমে সমাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা পি.পি.পি.-এর লক্ষ্য। দার্শনিক জাহেদ ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে গণতন্ত্রের যে কার্যকরী রূপরেখা প্রণয়ন করেছেন তা নিম্নরূপ:

গণতন্ত্রের কার্যকরী রূপ রেখা:

গণতন্ত্রের সংজ্ঞাঃ “জনগণ সরাসরিভাবে রাষ্ট্রের শাসক ইহাই গণতন্ত্র” (People is the direct ruler of the country is know as democracy)

Metaphysician Md. Zahidul Haque (Zahed)

(ক) প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র: জনগণ সরাসরি নীতি বা আইন রচনা করবে কিন্তু রচিত আইন অবশ্যই বিজ্ঞানভিত্তিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গী অনুযায়ী রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে পরিপূর্ণ সত্যায়িত হতে হবে ।

(খ) গণ নির্দেশ বা (Referendum): পার্লামেন্ট কর্তৃক প্রণীত কোন আইন বা আইনের খসড়া বা সংবিধানের সংশোধনী প্রস্তাব জনগণ বা (ভোটারদের) মতামত গ্রহণ

(গ) সাম্য ও স্বাধীনতা: ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মানবতার পূর্ণ নিশ্চয়তাসহ সাম্য, সৌম্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি

(ঘ) আইনের নিরক্ষেপ ও নৈর্ব্যক্তিক শাসনের প্রবর্তন এবং সমাজনীতি অনুযায়ী নিজ নিজ ধন সম্পদ নিয়ে সমাজ অধিকার

কায়েম।

- দার্শনিক মোঃ জাহিদুল হক (জাহেদ) উপরোক্ত গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যার সার কথা: জনগণ সরাসরি তিন ভিত্তিক-বিজ্ঞান ভিত্তিক, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গী অনুযায়ী আইন রচনা করে সমাজনীতি প্রতিষ্ঠা করবে। এই আইন রচনা করলে জনগণের উপরোক্ত তিন ভিত্তিক মতামত নিতে হবে। মূলতঃ পার্লামেন্টের আইন করার প্রত্যক্ষ কোন ভূমিকা থাকবে না।

প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা প্রয়োজন, বর্তমান বিশ্বে দার্শনিক জনস্টুয়ার্ট ও আব্রাহাম লিংকনের বুর্জোয়া গণতন্ত্র ও কার্ল মার্কস- এর কমিউনিজম অচল হয়ে পড়েছে। কার্ল মার্কস-এর দর্শনে সুনির্দিষ্ট গণতন্ত্রের দিক নির্দেশনা না থাকায়, লিংকনের গণতন্ত্রের মেহনতী মানুষের স্বার্থ না থাকায় উভয় মতামতই বিশ্ব বিমুখ হয়ে পড়েছে। ঠিক সেই মুহূর্তে দার্শনিক জাহেদ প্রণীত প্রলেতারিয়েত গণতন্ত্র ও সমাজনীতি শ্রমজীবি ও মেহনতী মানুষের স্বার্থ সংরক্ষিত থাকায় বিকাশ লাভ করিতেছে। দার্শনিক জাহেদের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজ বিজ্ঞানের তত্ত্বসমূহ রাষ্ট্র কাঠামো গঠন ও সমাজ ব্যবস্থার সার্বিক কল্যাণকর দিক নির্দেশনা নিহিত। বর্তমানে নেতা ও নেতৃবৃন্দ যখন দফার রাজনীতি এবং বিদেশী ভুল, মত পথ দিয়ে জাতিকে শত শত খন্ডে বিভক্ত করিতেছে; সেই মুহূর্তে দার্শনিক জাহেদের নেতৃত্বে “সমাজনীতি' দর্শনের মাধ্যমে জাতি ঐক্যবদ্ধ হতে চলেছে।

জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে বিশেষ কর্মসূচী:

44

যৌথ কৃষিখামার পদ্ধতির প্রচলন এবং ‘সমাজনীতি' তত্ত্ব ভিত্তিতে শ্রমিকদের নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় বেতন ও ভাতা প্রদান । → এককমুখী ও অবৈতনিক শিক্ষা পদ্ধতি চালুকরণ।

৪ঠা নভেম্বর ‘৮৮ পাকমন পিপলস পার্টি 'নদীখনন কর্মসূচী' উদ্ধোধন করে। ফাঁরাক্কাসহ বিভিন্ন নদীর উজানে বাঁধ দেওয়ার ফলে পদ্মা, কর্ণফুলী, মেঘনা, যমুনা: পাকমন অববাহিকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। ভারত সরকার এখন নতুন করে গঙ্গা (পদ্মা) ব্রহ্মপুত্রনদ সহ অন্যান্য নদ-নদীতে নদীসংযোগ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চলেছে। এই কর্মসূচী বাস্তবায়িত হলে পদ্মা, কর্ণফুলী, মেঘনা, ও যমুনা : পাকমন অববাহিকা শুকিয়ে যাবে। এই বিশাল জনপথের কোটি কোটি মানুষ মৃত্যুর মুখো-মুখি দাঁড়াবে। তাই ভারত সরকারকে এই প্রাকৃতিক লীলাভূমি ধ্বংসের কর্মসূচী অবশ্যই বাতিল করতে হবে। নদী খনন ও নদী শাসন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে পাকমন অবাহিকার নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে

→ দেশীয় কাঁচামালের ভিত্তিতে যৌথ শিল্প পদ্ধতির বৈপ্লবিক কর্মসূচীর বাস্তবায়ন।

সাম্প্রতিক রাজনীতির সুরাহাকরণ:

(i) সন্ত্রাসী তৎপরতা রোধকল্পে মাস্তানদের চিহ্নিতকরণ এবং পূনর্বাসনের ব্যবস্থা।

(ii) বেকার তরুণ ও হতাশাগ্রস্ত বেকার ছাত্র নামধারী রাজনীতিবিদদের চিহ্নিতকরণ এবং পূনর্বাসনের ব্যবস্থা

(iii) সরকারীভাবে নতুন লোক নিয়োগ ও ‘সমাজনীতি' তত্ত্বের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বন্ধ্যাত্ব অপসারণ।

পররাষ্ট্রনীতি:

বিশ্বের সকল জাতির সাথে শান্তির সেতু বন্ধন' রচনা করণ। সমাজতন্ত্র ও পুঁজিবাদের ব্যর্থতার ফলে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণে- সত্যদর্শন ‘সমাজনীতি’ বিকশিত করণ।

নেতৃত্ব ও আহ্বান: মহাকালের রাষ্ট্রীয় মহানায়ক দার্শনিক মোঃ জাহিদুল হক (জাহেদ) এর যোগ্য ও বলিষ্ট নেতৃত্বে সমাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক বিপ্লবে ঝাঁপিয়েপড়ুন । নৈতিক অবক্ষয় রোধ, কুশাসন, আগ্রাসনের প্রতিরোধকল্পে দার্শনিক জাহেদ এর হাতকে শক্তিশালী করে তুলুন। বিশ্বে দুর্নীতিবাজ রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত কলংক মুছিয়ে ফেলতে দার্শনিক জাহেদ এর আদর্শিক রাজনীতিতে শরিক হউন

“গণপ্রজাতন্ত্রী সমাজনীতি পাকমন ইউনিয়ন" (Union of Pakmon Socal-law Rebulic: UPSR) রাষ্ট্রের চূড়ান্ত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফসল ‘পাকমন’ জনতার দ্বারে দ্বারে পৌছাইয়া দেওয়া হউক আমাদের সকরের অঙ্গীকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *