মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা: নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া গংয়ের নির্যাতন, অত্যাচার, হয়রানি, করাসহ সন্ত্রাসী নির্যাতনের প্রতিবাদ ও চাঁদাবাজী, দখলবাজী, জবরদস্তি, 'নির্মাণ জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে
দক্ষিনখান মৌজার ভূমির মালিকগণের পক্ষে মনোয়ারা বেগম, জাফর আহম্মদসহ অন্যান্য মালিকরা।
বিগত ৩০ বছর ধরে আশিয়ান সিটির মালিক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার নির্যাতনের অনেক ভুক্তভোগির মধ্যে একজন মনোয়ারা বেগম। গত ৯ই অক্টোবর ২০২৫ইং সকালে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের দ্বিতীয় তলার জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সংবাদ সম্মেলনে মনোয়ারা বেগম বলেন, গত সরকারের আমলে সে আমার বাড়ি-ঘর দখল করতে পারেনি। কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকারের অনুপস্থিতিতে আমার বাড়ি-ঘর জোর দখল করে নিয়েছে। আমার-পিতার পৈত্রিক সম্পত্তি আমার পিতা আমার নামে হেবা করে দিয়েছে। ৩৩ শতাংশ জমি ৩৭৫-নং দলিল দ্বারা খরিদ করে নামজারি ও খাজনা-খারিজ সম্পন্ন করেছি।
গত ৫ ডিসেম্বর ২০২৪ হতে আমার পিতার দেওয়া পৈতৃক সম্পত্তিতে জোরপূর্বক আশিয়ান সিটির মালিক নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার আদেশে তার সন্ত্রাসবাহিনী আমার পৈতৃক সম্পত্তিতে জবর দখল করে ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে। কোটের নিষেধাজ্ঞা থাকার সত্ত্বেও তার সন্ত্রাসবাহিনী- ১; সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, ২. জাহিদুল ইসলাম ভূইয়া, ৩. অলীউল্লাহ ভূইয়া, ৪, রাসেদুল ভূইয়া, ৫. আনিস ভূইয়া, ৬, আক্তার ভূঁইয়া, ৭. আব্বাস আলী ভূঁইয়া, ৮. নূরুউল্লা ভূইয়া, ৯. একরাম (বুইড়া) এবং ১০. আনসার বাহিনী আমার বাবার দেওয়া পৈতৃক সম্পত্তি তারা জোরদখল করে নিয়ে গেছে। জজ কোটের নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্ত্বেও কোটের নির্দেশ অমান্য করে আমার পিতার দেওয়া সম্পত্তিতে ঘর-বাড়ি নির্মাণ কাজ করিতেছে। আমরা তাদের বাধা দিতে চাইলে আমাদের প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। আমরা যেন উক্ত জায়াগায় যেতে নাপারি তার জন্য আগে থেকেই সন্ত্রাসী ভাড়া করে রেখেছে।
মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় সমীপে তিনি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন যে, নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া গংয়ের নির্যাতন, অত্যাচার, হয়রানি, করাসহ সন্ত্রাসী পদের নির্যাতনের প্রতিবাদ ও চাঁদাবাজী, দখলবাজী, জবরদস্তি, 'নির্মাণ জড়িতদের বিষয়টি সু-বিবেচনা করে আমার পিতার দেওয়া সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ভাবে ঘর-বাড়ী নির্মাণ বা অবৈধ দখল না করিতে পারে সেজন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিতে অনুরোধ জানান। এবং সকল সন্ত্রাসী আগ্রাসনের হাত থেকে দক্ষিণখান মৌজার ভূমি মালিকগণের জমি ভিটেবাড়ী ও প্রাণ রক্ষার জন্য অভিযোগ ও প্রতিকারে প্রার্থনা জানান।
সংবাদ সম্মেলনের পরে নিন্মুক্ত অনুলিপিগুলো উপস্থিত সাংবাদিকদের সকলকে দেখান। এবং হামলা, মামলা ও নির্যাতনের যে সকল স্থিরচিত্র ছিল সেগুলো দেখান।
অনুলিপি
১. মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকা।
২. মাননীয় আইন উপদেষ্টা, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা।
৩. মাননীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা, বন, পরিবেশ ও জলবায় মন্ত্রণালয় ঢাকা ।
৪. মাননীয় চেয়ারম্যান, দুদক, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
৫. মাননীয় আই.জি.পি পুলিশ অধিদপ্তর।
৬. মাননীয় চেয়ারম্যান, (রাজউক) রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজউক ভবন, ঢাকা।
৭. মাননীয় মেয়র (প্রশাসক) উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা।
৮. নির্বাহী কর্মকর্তা, উত্তর সিটি কর্পোরেশন অঞ্চল-৭, ঢাকা।
সংযুক্তিঃ ১। দক্ষিণখান মৌজার ভূমির মালিকগণের নাম ও স্বাক্ষর তালিকা।
২। রাজউক থেকে দেওয়া নোটিশ।
